যেকোনো উঁচু বেলে, দোআঁশ ও এটেল দোআঁশ প্রকৃতির মাটিতে জাতটি ফলানো যায়।
জমি তৈরি : টমেটোর ফলন অনেকাংশে জমি তৈরির উপর নির্ভর করে। তাই ৪-৫ বার জমি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝরঝরে করে নিতে হবে।
বপনের সময় : মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য অক্টোবর সময়ের মধ্যে বীজতলায় বীজ বপন করতে হবে। বীজ বপনের পর থেকে চার সপ্তাহ বয়সী চারা মূল জমিতে লাগানোর উপযুক্ত সময়। তবে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত চারা লাগানো যায়।
বীজ শোধন : টমেটোর বীজ বপন করার সময় পিঁপড়ার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বীজ বপনের সঙ্গেই সেভিন পাউডার বপনকৃত বীজের লাইনের সঙ্গে ছিটিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।
সার ও প্রয়োগ পদ্ধতি : একর প্রতি ৫ টন গোবর, ১৬০ কেজি ইউরিয়া, ১৪০ কেজি টিএসপি ও ১২০ কেজি এমওপি প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের আগে জমি শোধনের জন্য ফুরাডান পাউডার প্রয়োগ করা ভালো। ইউরিয়া সার ৩ ভাগ করে জমি প্রস্তুতের সময়, চারা লাগানোর ১৫ দিন ও ৩৫ দিন পর এবং এমওপি ২ ভাগ করে চারা লাগানোর ১৫ ও ৩৫ দিন পর মূল জমিতে প্রয়োগ করতে হবে।
সেচ ও নিষ্কাশন : চারা মাটিতে পূর্ণরূপে স্থাপিত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন একবার পানি দিতে হবে
আগাছা দমন এবং মালচিং : আগাছা দেখা দিলে নিড়ানি বা হাতের সাহায্যে আগাছা পরিষ্কার এবং মাটি নরম করে মালচিং করতে হবে।
বালাই ব্যবস্থাপনা : ভাইরাসজনিত রোগের হাত থেকে রক্ষার জন্য ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি স্প্রে করতে হবে। এ ব্যবস্থা প্রথম ফল পাকার আগ পর্যন্ত চালু রাখতে হবে। পাতা পচা রোগ (লেইট ব্লাইট) থেকে গাছকে রক্ষার জন্য ফুল আসার ঠিক আগ থেকে ১৫ দিন অন্তর তিনবার ডাইথেন-এম৪৫ অথবা রিডোমিল এমজেড অনুমোদিত মাত্রা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। টমেটোর গাছ ঢলে পড়া রোগ (উইল্ট) থেকে রক্ষার জন্য ক্ষেতের মাটি যাতে স্যাঁতস্যাঁতে না থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস